বাংলা এ*ডা/ল্ট গল্প: সুন্দরী বান্ধবী ও অচেনা এক দম্পতির বিশেষ সম্পর্ক !! পর্ব ৬
লেখক: Sumi Akhtar
আমরা suit এ প্রবেশ করলাম.
দীনা ফুলের তোরা মিসেস নূপুরের হাতে দিয়ে congratulation জানালো।
মিসেস নূপুর সেই তোরা একটা টেবিল এ সাজিয়ে রাখলেন।
বিশাল বড় suit. দেখে মনে হচ্ছে আমাদের ঢাকার flat এর চাইতেও বড় হবে।
আমাদের দেখে সানাহ সাহেব সোফা থেকে উঠে এসে সম্ভাষণ জানালেন। আমার বুক কেমন দুর দুর করছে।
সানাহ সাহেব welcome welcome বলে আমার সাথে হাত মেলালেন। দীনা সালাম দিল সালাম গ্রহণ করলেন, সাথে দীনাকে compliment দিতেও ভুললেন না।
আমি চার দিকে তাকিয়ে আয়োজন আর আরম্ভরতা দেখতে লাগলাম। আরম্ভরতার আগে এই suit টার একটু বর্ণনা দিয়ে নেই।
এটি মনে হয় এই হোটেলের best কয়েকটা suit এর মধ্যে একটি। এতে দুইটা বেডরুম এটাচ বাথ ও বেলকনি আছে। সাথে ড্রয়িং ডাইনিং কিচেন সব আছে।
আর আয়োজন দেখে আমার আর দিনার চোখ ত প্রায় কপালে। পুরো dining টেবিল জুরে হরেক রকমের খাবার, শুধু fries আছে ১০-১৫ রকমের তারপর সালাদ মিষ্টি BBQ ইত্যাদি ইত্যাদি।
তার পাসে একটা ছোট টেবিলে double black, gray goose, patron আর wine রাখা সাথে কয়েকটি বোতলে সম্ভবত fresh juice, এসব serve করার জন্য waiter! দেখেই বুঝা যায় cocktail partyর আয়োজন.
সানাহ সাহেব তার হাতের গ্লাস টা দেখিয়ে বললেন আমি আর দেরি করতে পারলাম না। আমার celebration কিন্তু শুরু হয়ে গেছে।
মিসেস নূপুর রিনরিনে গলায় বললেন তুমি দেরি করবে কি? সন্ধ্যা হয়ে গেছে তোমার সময় হয়েছে।
সানাহ সাহেব উচ্চ স্বরে হেসে উঠলেন।
দীনা আমার সামনে এসে নিচু স্বরে বলল আমাদের দুইজনের জন্য এত আয়োজন?
আমি বললাম তাই ত দেখছি। মনে মনে ভাবলাম খাসি হালাল করার আয়োজন না ত আবার।
সানাহ সাহেব বললেন কি secret আলাপ হচ্ছে দুইজনে?
আমাকে বা দীনাকে এর উত্তর দিতে হল না মিসেস নূপুর একটা জুসের ট্রে আমাদের সামনে ধরে বলল ওরা ওদের মত কথা বলছে তোমাকে শুনতে হবে নাকি?
আমি একটা গ্লাস হাতে নিলাম আর মুগ্ধ হয়ে মিসেস নূপুরের দিকে চেয়ে রইলাম।
দরজায় দাড়িয়ে মিসেস নূপুরকে দেখে তার ছবি যেন আমার মাথায় প্রিন্ট হয়ে গেছে। (এখনও আমি চোখ বন্ধ করলে বলতে পারি তার শরীরে কোন সুতাটা কোন যায়গায় ছিল কত ডিগ্রি এঙ্গেলে ছিল।
মিসেস নূপুর আজ পরেছেন একদম সাদার উপর সাদা কাজ করা জামদানি। দেখে যে কেউই বুঝতে পারবে শাড়িটা বেশ দামি। তার সাথে ত্রি কোয়ার্টার হাতা ব্লাউজ। ব্লাউজ থ্রি কোয়ার্টার হলেও কাপড় একদম পাতাল।
পেছনে স্কোয়ার গলা এবং বেশ বড় কাট। ব্লাউজের placement দেখলেই বুঝতে পারা যায় নিচে কোন ব্রা পরেন নি। ঘরের ঝলমলে আলো তার পিঠের উপরে পরে চকচক করছে।
এত সুন্দর কারো তক হতে পারে মিসেস নূপুরকে না দেখল জীবনেও বিশ্বাস করতাম না। ব্রা পরার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না কারণ ব্লাউজ টা এমন ভাবো তৈরি যে এটা পরলে ব্রা লাগবেনা।
শাড়ি পরাতে কোন খুদ নেই। ঠিক নাভির নিচ থেকে শাড়ি বেঁধেছেন। transparent জামদানিতে নাভিটা হাল্কা বুঝা যায় কিন্তু একেবারেই exposed লাগে না। কোমরের দিকে কিছুটা অংশ অনাবৃত মেদে একেবারে নেই বললেই চলে। একটু হাই হিল পরেছেন।
আর নিতম্বের কাছে শাড়িটা একদম আঁটসাঁট করে বাঁধা। যাতে তার পুরো জৌলুশ ঠিকরে পরছে। মুখে হাল্কা make up করেছেন। চোখে চিকন করে কাজল টানা। লম্বা খারা নাকে হিরের নাক-ফুল পরেছেন।
ঠোঁটে গাঢ় লাল lipstick. তার শরীরের প্রতিটা অঙ্গ তার শরীরে কাম আবেদন জাগাতে বাধ্য কিন্তু তার স্নিগ্ধ চাহনির দিকে তাকালে স্বম্মানে মাথা ঝুঁকতে বাধ্য।
খোলা কোঁকড়ানো চুল হাঁটলে হাল্কা দোল খায়। অনেকে বলে একজন নারীর মধ্যে cute and sexy দুইটা বিষয় এক সাথে খুব বিরল কিন্তু এর চেয়ে বিরল হচ্ছে cute, sexy and elegance. যা এই নারীর মাঝে সমান অনুপাতে বিভক্ত। সানাহ সাহেব কি করে এমন বউকে অন্য পুরুষের শয্যাসঙ্গী হিসেবে offer করেন?
মিসেস নূপুর একটা জুস এর ট্রে হাতে আমাদের সামনে দাঁড়ালেন।
সানাহ সাহেব বললেন, নূপুর কি দিচ্ছ এদের শুধু জুস? বাচ্চা নাকি এরা?
দীনা বলে উঠল আমি ঠিক আছি, আমিও বললাম its fine.
সানাহ সাহেব বললেন কি its fine আজকে আমরা জমপেশ আড্ডা দিব হৈ চৈ করব প্রয়োজন হলে রাতে বিচে camp fire করব so কোন its fine চলবে না আজ হতে হবে it’s awesome. আর শুন আজকের জন্য no mr. No আপনি no formality. Today we are all friends.
মিসেস নূপুর বললেন কি যে বল না তুমি এদের ভয় দেখাচ্ছ নাকি? বলে দিনার দিকে তাকিয়ে দিনার হাত ধরে উঠতে বলে বললেন চল তোমাকে বেলকনি ভিউ টা দেখিয়ে আনি। আমার বুক আমার ধুক ধুক শুরু হল ভাবলাম সানাহ সাহেবের সাথে একা থাকার সুযোগ করে দিল কি? সে কি এখন কিছু বলবে?
হ্যাঁ আমি এতক্ষণ এসব কিছু লক্ষ করার পাশাপাশি এও বুঝার চেষ্টা করছিলাম যে তাদের মানসিক পরিস্থিতি কি। কিন্তু এতসবের মধ্যে আমি কোন আভাস বা সেই plan বাস্তবায়নে এর ছিটে ফোটাও দেখলাম না। উল্টা আরও waiter না কি service বয় এনে রেখেছে। তার মানে কি?
আরও বেশি অবাক হলাম যখন আমি আর সানাহ সাহেব প্রায় ১০ মিনিট একা থাকা সত্যেও এ বিষয়ের কাছাকাছি ইংগিত করেও কিছু বলল না। রাজ্যের সব কথা বলল। কিন্তু এ বিষয়ে কিছুই না।
আমি মোটামুটি sure হয়ে গোলাম nothing is happening. মনে মনে ভাবলাম ব্যাটা নির্ঘাত গতকাল আমার সাথে মজা মেরেছে। নিজেকে কেমন যেন গাধা টাইপ লাগছে। এভাবে কারো সামনে ধরা খাব বুঝতেই পারি নাই। নিশ্চয় এটা নিয়ে তাদের মধ্যে খুব হাসাহাসি হয়েছে। আবার ভাবলাম হয়ত মিসেস নূপুর রাজি হয়নি।
এসব ভাবতে ভাবতে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছাড়লাম আর ভাবলাম যাক না হলেই ভাল। এতে একটু relax ও লাগল।
সানাহ সাহেব বললেন কি young man কি ভাবছ হবে নাকি একটা drink. একটু যেন হাল্কা লাগছে তাই বললাম sure why not. Waiter জিজ্ঞেস করল স্যার কি দিব?
আমি বললাম vodka with cranberry. Waiter সাথে সাথেই গ্লাস হাতে ধরিয়ে দিল। যেন তৈরিই করা ছিল।
কিছুক্ষণ পরে মিসেস নূপুর আর দীনা ঘরে ঢুকল। দুজনে বেশ ভাব হয়ে গেছে। মিসেস নূপুরকে কয়েক ঘণ্টার পরিচয়য়ে যা মনে হল খুব মিশুক। যে কেউকে খুব সহজে আপন করে নিতে পারেন।
মিসেস নূপুর এক গ্লাস wine নিলেন আর দীনাকে ভদকা দিলেন Apple juice এর সাথে। দীনা জিজ্ঞেস করল আপনি এটা খান না?
মিসেস নূপুর বললেন, না, মাঝে মাঝে half glass wine পান করি আর কিছু না।
আমি বললাম that’s why your skin looks that smooth.
মিসেস নূপুর একটা স্নিগ্ধ হাসি দিয়ে বলল হতে পারে।
দীনা দেখি আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে আছে।
একটু ইতস্ততত বোধ করলাম। আর দিনার দিকে তাকিয়ে একটা বোকা মার্কা হাসি দিলাম। মনে মনে ভাবালম এই মহিলার সামনে আজ সারারাত থাকলেও আমি সহজ হতে পারব না। এটা অবশ্য আমার পুরাতন অভ্যাস। অতীব সৌন্দর্যের সামনে আমি স্বাভাবিক হতে পারি না।
সানাহ সাহেব বললেন you guys both looking great tonight.
আমি বললাম thanks to Dina. আমি ত পাঞ্জাবী এই ট্রিপে নিয়ে আসব চিন্তাই করি নাই কিন্তু দীনা secretly একটা candle light dinner এর plan করেছিল, but instead of candle light dinner we are celebrating with you.
মিসেস নূপুর দিনার হাত ধরে বললেন how sweet of you.
সানাহ সাহেব অবশ্য বেশ একটা দুঃখী দুঃখী স্বরে বললেন আহহা তাহলে ত ব্যাপারটা খুব খারাপ হয়ে গলে we owe this lady an apology.
দীনা বেশ বিনয়ী হয়ে বলল না না কি বলছেন I am enjoying here too. You please don’t worry.
মিসেস নূপুর তখন বলে উঠলেন, এই কেক কি এখন কাটবে? তোমার যে অবস্থা দেখছি কিছুক্ষণ পরে ত দাড়াতে পারবে না।
সানাহ সাহেব বললেন off course কাটব Jabed (waiter) please bring the cake.
কেক কাটা হল ছবি টবি তোলা হল আরও drink আসল তারপর fries, chops bbq আরও কত খাবার. একটা একটা করে খেলেও শেষ হবে না। এভাবেই গল্পে গল্পে আর পানাহারে সময় যেতে লাগল।
কিন্তু সেই plan এর কোন ছিটে ফোটাও নেই। রাত প্রায় ১১ টা বাজে আমাকে মনে হয় কিছুটা ভদকার নেশা ধরছে। আমি উঠে একটা বেডরুমের বেলকনিতে গিয়ে দাঁড়ালাম কিছুক্ষণ পরে দীনা আসল। দীনাও যেন একটু টলছে।
দীনা বলল চল রুমে যাই।
আমি বললাম হুম দাড়াও সিগারেটটা শেষ করে বিদায় নিচ্ছি।
দীনা আমার কাঁধে মাথা রেখে বলল কত সুন্দর একটা কাপল বিয়ের এত বছর পরেও কত আন্তরিক।
আর আমাদের কি হল দেখ?
আমি কিছু বললাম না অন্ধকার দিগন্তের দিকে তাকিয়ে হুম করে একটা শব্দ করলাম। সিগারেট শেষ করে আমরা লিভিং রুমে আসতেই দেখলাম মিসেস নূপুর main দরজা লক করছেন। সম্ভবত waiter কে বিদায় করে দিলেন।
আমি একটা ডিভানের উপর বসলাম দীনা আমার পাশে। সানাহ সাহেব চারটা গ্লাস ট্রেতে করে সামনের টেবিলটাতে রেখে আমাদের পাশে একটা সিঙ্গেল চেয়ারে বসলেন আর মিসেস নূপুর বসলেন অন্য ডিভানটাতে।
সন্ধ্যা থেকে ঘরের পরিবেশটা যেমন উৎসব মুখর ছিল এখন তা একটু অন্যরকম লাগল আমার কাছে। মিসেস নূপুর পায়ের উপর পা রেখে ডিভানে তার দুই পাশে দুই হাত রেখে মেরুদণ্ড সোজা করে বসে আছেন এতে তার মাই গুলো যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে।
তাকে দেখে কেন যেন কামের দেবী ভেনাসের মত লাগছে। তার মুখে একটা চিকন বাঁকা হাসি। তাকে তখন আর সেই বাঙালি নারীর মত লাগছেন। তার লাল টকটকে ঠোঁটে দুষ্ট হাসিটা কেমন হাতছানি দিয়ে ডাকছে।
সানাহ সাহেব বললেন সবাই একটা করে গ্লাস হাতে নাও। মিসেস নূপুর বলল not me.
সানাহ সাহেব বললেন specially you my dear. Tonight is a very special night for you বলে আমার দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিলেন।
যে হাসি দেখে আমার শির দারা দিয়ে একটা ঠাণ্ডা অনুভূতি নেমে গেল। তারপর দীনাকে উদ্দেশ্য করে স্বাভাবিক স্বরে বললেন young lady please take your glass.
দীনা বলল এটা কি?
সানাহ সাহেব বললেন the Mexican magic, worlds finest tequila.
দীনা বলল আমি আর পারব না আমার মাথা ঝিম ঝিম করছে।
সানাহ সাহেব বললেন just one shot. কিচ্ছু হবে না দীনা। Please take the lemon too. Now come closer.
তারপর বললেন for tonight, for four of us. cheers বলেই আমরা সবাই এক সাথে গ্লাস মুখে দিলাম।
দীনা একটু দেরি করল আমরা কি করি দেখে তারপর গ্লাস মুখে নিলো। একবারে পুরোটা ঢেলে দিল একটু কাশতে শুরু করল। মিসেস নূপুর বেশ কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে রইলেন তারপর গ্লাস টেবিলে নামিয়ে রাখলেন।
দীনা বলল আমাদের মনে হয় যাওয়া উচিত।
মিসেস নূপুর দীনা কে উদ্দেশ্য করে বলল কেন ঘুম পেয়েছে?
সানাহ সাহেব বললেন ঘুম পেলে এখানেই ঘুমাও আমাদের তো দুইটা বেডরুম আছে তাই কোন সমস্যা হবার কথা নয়।
দীনা একটু স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করে বলল না না এত তাড়াতাড়ি কি আর ঘুমাতে পারি? ঘুমাতে ঘুমাতে তো অনেক রাত হয়ে যায়।
মিসেস নূপুর তখন আমার দিকে তাকিয়ে বললেন কেন? সাহেব বুঝি অনেক রাত পর্যন্ত জাগিয়ে রাখে।
দীনা নেশার ঘোরে বলল শুধু সাহেবই জাগিয়ে রাখে না আমিও জাগিয়ে রাখি।
আমি তখন চোখ তুলে মিসেস নূপুরের দিকে তাকালাম উনি বললেন দেখা যাবে আজ কে কতক্ষণ জেগে থাকতে পারে। তার মুখে সেই বাঁকা হাসিটা এখনও ঝিলিক দিচ্ছে।
আমি তখন সনাহ সাহেবের দিকে তাকিয়ে relax ভাবে ডিভানের হাতলে হেলান দিলাম আর সানা সাহেবও চেয়ারে হেলান দিয়ে শ্বায় দেয়ার ভঙ্গিতে মাথা সামনের দিকে নোয়ালেন।
আর আমি ১০০% sure হয়ে গেলাম…..
THE GAME IS ON…..
দীনা বেচারির টাকিলা সট মারার মিনিট দশেকের মধ্যে বেশ নাজেহাল অবস্থা হয়ে গেল,কারণ দীনা আমার উপর প্রায় ঢলে পরছে।
এই দশ মিনিট সানাহ সাহেব ড্রিঙ্ক নিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা যেন বলছিল। আমার মাথায় সে সব আর ঢুকছে না। আমি কেমন যেন একটা ঘোরের মধ্যে চলে গেছি আর ভাবছি এটাকি বাস্তব নাকি আরও একটা স্বপ্ন. কিছুক্ষণ পরে হয়ত কেউ আমাকে ডেকে তুলে বলবে সকাল হয়েছে নাস্তা কর।
মিসেস নূপুর বললেন দীনাকে সোফায় সুইয়ে দাও। বেচারি ক্লান্ত মনে হচ্ছে।
আমি নিজেও কিছুটা টলছি। দীনা বেশ ভাঁড়ি তাই ওঁকে ডিভানে তুলে সোয়াতে বেশ বেগ পেতে হল। শেষ দিকে পা তুলে দিতে গিয়ে আমি ভারসাম্য হারিয়ে পরে যেতে নিয়েছিলাম কোন রকমে সামলে নিলাম, মিসেস নূপুর এসে দিনার পা দুটি ধরে ডিভানে তুলে দিল। তারপর সোজা হয়ে দাড়াতেই ঠিক আমার মুখোমুখি।
আমি তার দিকে সম্পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকালাম মিসেস নূপুর ও তাকালও। তার শরীর থেকে একটা খুব পরিচিত পারফিউম এর গন্ধ নাকে আসছে। সারা সন্ধ্যা আমি এই পারফিউম এর গন্ধটা মনে করার চেষ্টা করেছি। এখন এত কাছাকাছি দাড়াতে মনে পরল এটা secret পারফিউম। আমার বউ ব্যাবহার করত।
দুইজন যেন এই অবস্থায় আটকে গেছি, সম্বিত ফিরে পেলাম যখন সানাহ সাহেব একটু গলা খাঁকারি দিয়ে বললেন let me give you love birds some privacy.
মিসেস নূপুর একটু অপ্রস্তুত ভঙ্গীতে সরে দাঁড়ালো। সানাহ সাহেব ততোক্ষণে মিসেস নূপুরের পেছনে এসে দাঁড়ালও কোমর ধরে তার কাছে টেনে লম্বা একটা চুমু খেলেন। আমি সেই দৃশ্য দেখে অন্য দিকে চোখ ফিরিয়ে নিলাম। যাওয়ার সময় মিসেস নূপুরকে বললেন “don’t enjoy too much”.
আমি এবার সানাহ সাহেবর চেয়ারটাতে বসলাম মিসেস নূপুর সেই ডিভানটাতে বসলেন। দীনা পাশে ঘুমিয়ে আছে। তার গভীর নিশ্বাস কানে ভেসে আসছে। মনে মনে বললাম এভাবে সারা রাত ঘুমিয়ে থাকলেই ভালো হত।
সানাহ সাহেব রুম থেকে চলে গেছেন অনেকক্ষণ। রুমে কেমন যেন একটা থম থমে পরিবেশ। মিসেস নূপুর বসে আছেন আমিও চুপচাপ কি করব বুঝতে পারছি না কে আগাবে। নিশন্দেহে আমাকেই প্রথম এগিয়ে যাওয়া উচিত। কিন্তু কিভাবে বুঝতে পারছিনা।
সানাহ সাহেব রুমে ঢুকলেন, আর বললেন “my lady and young man তোমরা এভাবেই বসে আছ”?
সানাহ সাহেব পাঞ্জাবী পায়জামা ছেরে একটা ট্রাওজার আর টি-শার্ট পড়ে এসেছেন। তিনি মিসেস নূপুরের পাসে বসলেন আর বললেন so ice টাও আমাকে break করে দিতে হবে?
বলেই মিসেস নূপুরের কাঁধে চুমু খাওয়া শুরু করলেন এক হাত নূপুরের পেটে বুলাতে লাগলেন।
আমিও মনে মনে ভাবতে থাকলাম এখন আর জড়তা দেখিয়ে লাভ নেই। নাচতে যখন এসেছি ঘুমটার আর কি কাজ? তাদের এই রতিলিলা ভালই লাগছিল। আমি এর আগে কখনও সরাসরি কাইকে sex করতে দেখি নাই তাই আমি আয়েস করে বসে তাদের এই রসায়ন টা উপভোগ করছিলাম।
নিশ্বন্দেহে সানাহ সাহেব একজন দারুণ কিসার। মিসেস নূপুরকে বেশ গভীর ভাবে ও শান্ত ভাবে চুমু খেয়ে যাচ্ছেন।
আমি টেবিলে রাখা মোবাইলে সময় টা দেখে নিলাম। ১২ টা বেজে ১৪ মিনিট। আমার তাদের দেখে বেশ কাম অনুভব করছি। স্পেশালি মিসেস নূপুরকে এখন একেবারে অন্য রকম লাগছে ডিভানে হেলান দিয়ে শুয়ে আছেন আর তার স্বামী তাকে চুমু খাচ্ছেন। এ
বার মিসেস নূপুর চোখ খুলে আমার দিকে তাকালেন। আর ডান হাতের ইশারায় ডাকলেন। আমার শুধু মনে হল কেই আমাকে বলল “Its time”.
আমি দাঁড়ালাম আস্তে আস্তে তার পাশে বসলাম। তার ডান হাতটা ঠোঁটের উপর বুলিয়ে দিলেন। আমি তার হাতটা ধরে তার আঙ্গুল গুলি আমার আঙুলে ভাজ করে ধরে একটা চুমু খেলাম।
সানাহ সাহেব তখন তার বা পাশের গলায় চুমু খাচ্ছেন আর ডান মাই টিপছেন।। নিশন্দেহে একটা extra romantic পরিবেশে। ঠিক বাস্তব বলে মনে হচ্ছে না। জীবনে অনেকবার কল্পনা করেছি, কিন্তু বাস্তবে রূপান্তরিত হবে তা জীবনেও ভাবি নাই।
ঠিক সেই সময় সানাহ সাহেব বা দিকে মিসেস নূপুর এর অচলটা সরাতে গিয়ে এক অঘটন ঘটালেন। শরীর আঁচল ব্লাউজের সাথে পিন দিয়ে আটকানো ছিল সরাতে গিয়ে টান লেগে কাপড় ছেড়ার শব্দ পেলাম। শারি ছিঁড়ল না ব্লাউজ বুঝতে পারলাম না।
মিসেস নূপুর বিরক্ত হয়ে মাথাটা ডানে বায়ে কাত করে বিড়বিড় করে কি যেন বলল তারপর সানাহ সাহেব কে সরিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তারপর আমার সামনে ঝুঁকে আলতো করে ঠোঁটে ঠোঁট ছুঁইয়ে বললেন “let me change first”. বলে ঘুরে বেডরুমের দিকে চলে গেলেন।
আর আমি সেই ঠোঁটের শিহরনে মন্ত্র মুগ্ধের মত বসে রইলাম।
সানাহ সাহেব উঠে গিয়ে আবার ড্রিঙ্ক বানানো শুরু করলেন কিন্তু কোন কথা বললেন না।
দীনা তখনও ঘুমাচ্ছে।
মিসেস নূপুর কতক্ষণ সময় নিলেন জানি না। কিন্তু যখন রুম থেকে বের হলেন কার পরনে শুধু একটা সিল্কের নাইট ওভার গাউন। তার স্তন এর শক্ত হয়ে থাকা বোটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। কোমরের কাছে নাইট ওভার টা ফিতা দিয়ে বাধা
মিসেস নূপুর আমার দিকে হাটতে শুরু করলেন। তার ফর্শা পা দুটি হাঁটার সময় অনাবৃত হচ্ছে আর বাতির আলোতে চকচক করছে। আমার সামনে এসে কোন কিছুর অপেক্ষা না করে আমার দুই দিকে দুই হাঁটু দিয়ে আমার রানের উপর বসলেন। আর তার মুখটা সরাসরি আমার মুখের কাছে নিয়ে আসলেন।
তার গরম নিশ্বাস আমার মুখের উপর পরছে। তার চুলের গন্ধ তার শরীরে পারফিউমের সুভাষ আমি আলাদা আলাদা করে যেন টের পাচ্ছি। মনে হচ্ছে আসে পাশে সব ধি……র গতিতে চলছে।
আমি দুই হাতে কোমর ধরে নূপুরকে নিজের সাথে আলিঙ্গন করতেই নূপুর ওর ঠোঁট আমার ঠোঁটের উপর বসিয়ে দিল।
একটা চুমু খেল কতক্ষণ এভাবে ছিল মনে করতে পারিনা। আমি যেন নূপুরের ঠোটের ছোঁয়ায় পাথর হয়ে গেছি।
কখন আমার দুই হাত কোমর থেকে সরিয়ে নূপুরে নগ্ন পায়ের উপরে রেখেছি ত মনে নেই। তারপর হাতটা গাউনের ভেতর নিয়ে পাছার উপর রাখলাম ও নূপুরের পেন্টি টা অনুভব করলাম। মনে হল লেস বলানো g-string প্যান্টি.
এভাবে পাছায় হাত বুলাতে বুলাতে চুমু খেতে থাকলাম। এ সবই হচ্ছে সানহ সাহেবের সামনে।
তারপর নূপুর বা দিকে গাউন টা সরিয়ে একটা মাই বের করে আমার দিকে তাকালে। সুন্দর নিটোল মাই মসৃণ ত্বক। সবচেয়ে অবাক হলাম pink nipple দেখে. বাঙালি নারীর গোলাপি বোটা হতে পারে কখনও ভাবি নাই।
আমি নূপুরের দিকে তাকালাম, তার চাহনি বলছিল চুষে দাও আমার স্বাদ নাও। রাজ্যের সব কিছু এই রানি তোমার জন্য নিয়ে এসেছে। আমি মিইয়ে চুমু খেলাম তারপর মুখে ভরে দিলাম। নূপুর আমার মাথাটা ধরে বুকের সাথে চেপে ধরল।
মাই চুষছি এমন সময় দীনার জরানো গলা শুনতে পেলাম, কি হচ্ছে? সামস্ কি হচ্ছে কি এসব? আপনি এভাবে বসে আছেন কেন। যেহেতু নূপুর আমার ঠিক সামনে তাই পেছনে কি হচ্ছে তার কিছুই দেখতে পারছি না।
আমি নূপুরকে সরিয়ে উঠার চেষ্টা করতে নূপুর আমার কাঁধে হাত দিয়ে মাথা ডানে বায়ে নাড়ল। তারপর আমার মুখটা তার বুকের সাথে জরিয়ে ধরল। পেছনে একটু নড়াচড়ার শব্দ হল সানাহ সাহেবের গলা শুনলাম দীনা উঠে দাড়াতে চেষ্টা কর না পারবে না।
দীনা বলল আমি কি দেখছি এসব ছি ছি আমি এক মুহুরত থাকব না চলে যাব আমাকে যেতে দিন।
সানাহ সাহেব বললেন আপনি এখন একা কোথাও যাওয়ার মত পরিস্থিতে নেই আর আশাকরি আমাদের মধ্যে থেকে কেউও এই মুহূর্তে এইখান থেকে উঠতে চাই”।
তারপর সব চুপচাপ।
চলবে..
তোমার উত্তেজিত শব্দগুলো আমার জন্য সবচেয়ে মধুর পুরস্কার! তোমার কল্পনা, তোমার আগ্রহ, তোমার গোপন ইচ্ছেগুলো শেয়ার করতে দ্বিধা কোরো না… আমি অপেক্ষায় থাকবো।
ইতি,
Sumi

No comments:
Post a Comment