#সতীত্ব__
Sum Akhtar
পর্ব:০১
আমার বয়স যখন ১৩ বছর তখন কোন একটা সময়ে আমার সতিত্ব নষ্ট হয়ে যায় তাও আমার নিজের মামা তো ভাই এর জন্য। আমি গ্রামের মেয়ে। মামা আর মামির সাথে রিহান এসেছে আমাদের গ্রামে। ওর বয়স ১৭ হবে। ওর সাথে আগে থেকে তেমন কথা বা খেলাধুলা বা বাহিয়ে যাওয়া এমন কিছু হতো না মামা মামির সামনেই যেতাম না লজ্জা লাগতো অনেক এর জন জন্য মা অনেক বকা দিয়েছে তবুও যেতাম না।।প্রায় অনেক দিন রিহান ভাইয়া রা গ্রামে থাকবে বলে এবার এসেছে আনুমানিকভাবে বলা যায় দেখে ১ মাস তো থাকবেই। কিছু দিন হলো রিহান ভাইয়া আমার ডাক খোঁজ করে টুকটাক কথা বলে কি করি কেমন আছি জিগ্যেস করে।।
আমি ছোট্ট বেলা থেকে অনেক সুন্দর ছিলাম শরীরের গ্রথ ছিলো বেশি বয়স কম হলেও দেখতে অনেক বড় মনে হতো। মামা মামি তো ভাবে আমার বয়স প্রায় ১৬/১৭ হবে। সেই দিন আব্বু কে বলতেছি তোমার মেয়ে মাশাআল্লাহ অনেক বড় হয়ে গেছে তাহলে তো বিয়ের সময় হয়েই গেছে।
রিহান ভাইয়া ও বসে আছে আমিও বসে আছি এই কয়েক দিনে ভাইয়ার সাথে অনেক টা মিশে গেছি অনেক ঘুরাঘুরি আড্ডা সব কিছুই দিতাম আমরা ২ জন।
মামা মামি আর আমার বাবা মা ঠিক করলো ছুটিতে তারা সবাই বাহিরে ঘুরতে যাবে একটা সুন্দর জায়গা দেখে পিকনিক এ যাবে বলে সবাই ঠিক করলো। সেই দিন সকাল বেলা থেকে সেজে গুজে সবাই রেডি। গল্প পড়তে রিকুয়েষ্ট দিয়ে সাথে থাকবেন। এড হলে পরের অংশের নটিফেকেশন চলে যাবে।
রিহান ভাইয়া একটা পানজাবি পড়ছিলো কালো আর আমি পড়েছিলাম একটা শাড়ি অনেক দিনের ইচ্ছে ছিলো কোথাও ঘুরতে গেলে শাড়ি পড়ে যাবো আমার হোরাহুরিতে আম্মু ও রাজি হলো।। তারপর সবাই মিলে বেরিয়ে পড়লাম ঘুরার উদ্দেশ্য নিয়ে।
আমরা ৬ জন মানুষ ছিলাম গাড়িতে ৫ টা সিট মাএ এখন কিভাবে যাবো আব্বুু বললো এখানে আশে পাশে কোন গাড়ি নেই এটাতেই যেতে হবে কষ্ট করে কি করবো উপায় নেই।।
রিহান ভাইয়া আমার দিকে তাকিয়ে আমাকে এক নজরে দেখে যাচ্ছে চোখ সরানো তে দূরের কথা।। আমি গাড়িতে উঠে বসতেই আমার পাশে হুট করে রিহান ভাইয়া বসে পড়লো গাড়ি ছোট এমনে তে জায়গা কম অনেক অল্প জায়গা নিয়ে আমরা বসে আছি।
রিহান ভাইয়া এখনো তাকিয়ে আছে আমার দিকে এক নজরে মাঝে মাঝে মুচকি হাসি দিচ্ছে।।
গাড়ি ছোট্ট হওয়ার কারনে ভাইয়ার কলে উঠে গিয়েছি এমন অবস্থা প্রায় কি করবো আমার পাশে মামা মামি আম্মু আব্বু জায়গা নেই ভাইয়ার দিকে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় খুঁজে পেলাম না।।
রাস্তা তেমন একটা ভালো ছিলো না গ্রামের রাস্তা গাড়ি এই দিক ঔ দিক দুলে দুলে চলছে। রিহান ভাইয়া চুপ করে বসে আছে।
হঠাৎ অনুভব করলাম আমার কোমরের কাছে কে যেন হাত দিয়ে আলতো করে চাপ দিচ্ছে,,,, আমি নড়েচড়ে উঠলাম আর রিহান ভাইয়ার দিকে তাকালাম ভাইয়া ভয় পেয়ে উঠলো এমন মনে হয় কিন্তুু আমি কিছু বললাম না হয়তো ভুলে হাত চলে গেছে।
এরপর কিছু সময় যেতে আবার ওও একই কাজ করলো আমি আব্বু বলে ডাক দিতে,,,,,,,,,,,,
আব্বু বলে ডাক দিতেই আব্বু আমার দিকে তাকিয়ে বললো কিরে এত জরে গাড়ির মধ্যে চিৎকার করলি কেন কি হয়ছে তোর?
এই কথা শুনে রিহান ভাইয়া একটু ভয় পেয়ে বললো কিরে তুই কি বেথা পেলি কোথাও আচ্ছা আমি সরে বসি এই দিকে তুই একটু সোজা হয়ে বসে পর। গাড়ি দেখতে দেখতে সেই জায়গায় চলে আসলো। অনেক সুন্দর জায়গা মামা মামি এক সাথে ঘুরছে আব্বু আম্মু চলে গেছে নদীর পারে। রিহান ভাইয়া বলতেছে কিরে সবাই তো চলে গেল এখন,,,,
গাড়ির মধ্যে কি হয়েছিল এই ভাবে চিৎকার করলি কেন?
আসলে ভাইয়া এ মানে,,,,
কি মানে মানে করছিস বল কি হয়েছে তোর?
আমার কোমরে হাতের ছোঁয়া পেয়েছি
হুম তো কি হয়েছে
না মানে আমি আব্বু কে ডাক দিয়েছিলাম কারন হলো মামীর শাড়ির আচল টা গারির চাকার কাছে ছিলো তাই। কিন্তুু আপনি কেন এমন কথা বললেন বুঝলাম না
ওহহহ এই কারন তাহলে ( ওফ ভয়ে পেয়ে গিয়েছিলাম)
হুম এটাই কারন ছিলো ( মুচকি হেসে)
ভাইয়া আমাকে দেখে কেমন যেন অবাক দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ আম্মু আসলো বললো কিরে তোরা দাড়িয়ে আছিস কেন চল অনেক সময় হলো এখন যেতে হবে বাড়িতে সনধ্যা নেমে আসলো প্রায়। গল্প পড়তে চাইলে রিকুয়েষ্ট দিয়ে পাশে থাকবেন প্রফাইলে আরো গল্প আছে পড়বেন।
বাসায় চলে এসে সবাই অনেক ক্লান্ত সবাই সবার রুমে চলে গিয়েছে। আমি আমার রুমে আসতেই দরজা ওফ করে কাপর পালটাবো বলে বসে আছি। হঠাৎ আমমু ডাক দিয়ে বলে আজকে খাবার রান্না হবে না বাহিরের থেকে কিছু নিয়ে আসতে। রাত হয়ে গেলে একা আমি যেতে ভয় পাচ্ছিলাম সেই সময় আব্বু ও ক্লান্ত ছিলো আমি আম্মু কে বললাম রিহান ভাইয়া কে পাঠিয়ে দাও৷ এড হলে পরের অংশের নটিফেকেশন চলে যাবে।
আম্মু ঃ রিহান বাবা একটু বাজারে গিয়ে খাবার নিয়ে আয় সবার জন্য
আমি তো বাজার তেমন ভালো করে চিনি না রাতে গ্রামের রাস্তা কিভাবে যাবো
আম্মু ঃ হুম এটা তো ঠিক তাহলে একটা কাজ কর তুই তোর বোন কে নিয়ে যাহ ও সব চিনে ওর সাথে যা, গিয়ে কিনে নিয়ে আয়।
রিহানঃ ঠিক আছে তাহলে আনতে পারবো সমস্যা হবে না।
আমাকে নিয়ে বাড়ির বাহিরে বের হয়ে বাজার এর দিকে যেতে লাগলো রিহান ভাইয়া কাপর টা পালটানোর সময় ও পেলাম ঔ ভাবে চলে গেলাম।
যেতে যেতে অনেক সময় কেটে গেল অনেক কথা বললো ভাইয়া। তার আগের জিএফ ছিলো নানা রকম কথা।।
বাজার শেষ করে বাসায় এসে রুমে চলে গেলাম এবার রুমের দরজা আটকানোর কথা মনে ছিলো না কাপর খুলতেই দড়জা ধাক্কা দিয়ে রিহান ভাইয়া চলে আসলো আর ভাইয়া আসার সময় আমি,,,,,
চলবে....
#সতিত্ব__
আকাশ_আহমেদ_
পর্ব:০১
পরবর্তী পর্ব সবার আগে পেতে 𝐒umi Akhtar চিরকুট পেজটা ফলো দিয়ে রাখুন

No comments:
Post a Comment